Quick Response to ‘Remal’: Supporting Coastal Communities with Immediate Assistance

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রাথমিক তান্ডব কমে গেলেও, এর প্রভাবে পানির নিচে তলিয়ে গিয়েছে অর্ধশতাধিক গ্রাম। হাজার হাজার মানুষ হয়ে রয়েছেন পানিবন্দী।  

“৩৫ বছর পর লবণ পানিতে তলিয়ে গেল পাইকগাছার ১২ গ্রাম”। (The Daily star)। এসব গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ তীব্র অসহায়ত্বে রয়েছেন।

KK Foundation এর সহযোগিতায় ও মানব কল্যাণ ইউনিটের বাস্তবায়নে, পাইকগাছার ১৫০ টি পরিবারের ৭৫০ জন মানুষের কাছে আজ রেশন পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করেছে গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন। 

আপনারা সহায়তায় আমরা ঘূর্ণিঝড় উপদ্রুত এলাকায় কাজ চালিয়ে যেতে চাই।

#cycloneremal

#EmergencyResponse  

#GiveBangladesh 

#দেশেরপ্রতিটিপ্রান্তে

The 14th Batch of Trainees Graduated and Awaiting Job Placement- Floating Sex Workers Continued to be Brought off Prostitution Racket

গত ২২ মে, ২০২৪ রাজধানীর মুগদায় প্রজেক্ট  ক্যাম্পেইন ‘পূর্ব-পশ্চিম’ এর ১৪তম সমাবর্তন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে তাদের সকলকে সার্টিফিকেট এবং রেশন প্যাকেজ প্রদান করা হয়৷ এই ব্যাচে ৮ জন ভাসমান যৌনকর্মীকে সেলাই প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। 

ক্যাম্পেইনজুড়ে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেছে কেকে ফাউন্ডেশন এবং সার্বিক সহযোগিতায় ছিলো কল্যাণময়ী নারী সংঘ।

উল্লেখ্য, প্রজেক্ট লড়াই’র ক্যাম্পেইন “পূর্ব-পশ্চিম” ভাসমান যৌনকর্মীদের সেলাই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের নতুন কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে, যাতে করে দারিদ্র‍্য থেকে মুক্ত হয়ে উনারা সমাজের মূলধারায় বাস করতে পারেন। 

#PurboPoschim

#ProjectLorai

#GiveBangladesh

#দেশেরপ্রতিটিপ্রান্তে

Solar-Powered Submersible Pump to End Water Woes for 600 People in Khagrachari

দক্ষিন-পূর্বাঞ্চলের তিন পার্বত্য জেলা– রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জুড়ে ‘ম্যালেরিয়া’ যেমন এক ভয়াবহ আতঙ্কের নাম, ঠিক তেমনই টাইফয়েড, কলেরা কিংবা আমাশয়ের মত পানিবাহিত রোগগুলোও স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে অভিশাপের সমান। 

পার্বত্যাঞ্চলের বাসিন্দাদের এই দুর্দশার অবসান করতে ‘প্রজেক্ট অম্বু’ গত কয়েকবছর থেকে সেখানে কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা এবার খাগড়াছড়িতে সোলার সাবমারসিবল পাম্প বসানোর পরিকল্পনা করেছি।

সাবমারসিবল পাম্প দিয়ে পানি এসে পাইপের মাধ্যমে ট্যাংকে জমা হবে। এবং এই পাম্পটি চলবে সৌরশক্তির মাধ্যমে। এই প্রক্রিয়াটি চৌবাচ্চা কিংবা জলাধারের চেয়ে বেশ সাশ্রয়ী এবং টিউবয়েলের চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী। তাছাড়া এই পাইপলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে পাড়ায় বসবাসরত আদিবাসীরা সহজেই নিজেদের আবাসস্থলের কাছাকাছি নির্দিষ্ট স্থান থেকে পানি সংগ্রহ করতে পারবে। যা তাদের সময়ক্ষেপণ রোধ করবে এবং দৈনন্দিন জীবনকে সহজ করার পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানির নিশ্চয়তা দান করবে।

#ProjectOmbu

#SafeWaterForAll

#SafeWaterSafeFuture

 

Environmental awareness and health tips disseminated to children for coping with heat waves

‘তাপদাহ’ কিংবা ‘দাবদাহ’– আভিধানিক শব্দটি নিয়ে যত বিতর্কই থাকুক, এই মুহুর্তে পুরো দেশের মানুষ যে অনুভূতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে তা সমস্ত মতভিন্নতার ঊর্ধ্বে। তীব্র তাপপ্রবাহে মানুষের প্রাণ যেখানে ওষ্ঠাগত, সেখানে আক্ষরিক কিংবা ভাবার্থের এসব বৈপরীত্য মূল্যহীন। 

বর্তমানে আবহাওয়ার এই প্রতিকূলতার সাথে ‘প্রজেক্ট পথচলা’র খুদে সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেয়াই ছিল এবারের সেশনের মূল লক্ষ্য। বিভিন্ন ধরনের উপভোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে বাচ্চাদেরকে তাপপ্রবাহ, জলবায়ু পরিবর্তন ও বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব সম্পর্কে অবহিত করা হয়। এছাড়াও এরকম বিরূপ আবহাওয়ায় তাদেরকে শারীরিক সুস্থতা ও স্বাস্থ্য সচেতনতার গুরুত্ব জানানো হয়।   

‘জয় সকল শিশুর’ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত প্রতিটি শিশুকে সমাজের মূলধারার অংশ করতে কাজ করছে ‘প্রজেক্ট পথচলা’। জীবন ও যাপনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এসব শিশু যেন একজন “সামাজিক মানুষ’’ হিসেবে নিজেদের পরিচয় অর্জন করতে পারে, এই দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য মাথায় নিয়ে প্রতিটি সেশনের আয়োজন করা হয়ে থাকে।  

#ProjectPothchola

#SocioEmotionalLearning

#Forwardtofuture

 

Angkan Sarkar of Faridpur Regained His Smile; Thousand Other Awaits

তিন বছর বয়েসী অঙ্কন সরকার তার বাবা-মায়ের সাথে ফরিদপুরে থাকে। তার বাবা একজন জেলে। মেরেকেটে হাজার দশেক টাকা মাসিক আয় হয় তাদের পরিবারের। 

গর্ভাবস্থায় অঙ্কনের মায়ের কিছু জটিলতা থাকার কারণেই হোক, বা অন্য কোনো কারণেই হোক, অঙ্কন জন্ম নেয় ঠোঁট কাটা নিয়ে। অঙ্কনের বাবা-মায়ের দুশ্চিন্তার যায়গা ছিলো মূলত দুইটি- প্রথমত, সংসারের দশ হাজার টাকা মাসিক আয়, দেশজুড়ে মাছধরার চিত্র বিবেচনায় নিলে যেটা কিনা সহসা বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। এই টাকায় যেখানে সংসারের খাওয়া-পরার খরচ জোগানোই দায়, সেখানে অঙ্কনের চিকিৎসা কখনোই করা হয়ে উঠবে না। 

আর দ্বিতীয়ত, চিকিৎসা না পেয়ে অন্য দশটি শিশু থেকে আলাদা হয়ে বড় উঠতে হলে অঙ্কনের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী হীনমন্যতা থেকে যায় কিনা।

প্রান্তিক শিশু অঙ্কনের জন্মগত ঠোঁট কাটা রোগের অস্ত্রোপচার “থাউজেন্ড স্মাইলস” ক্যাম্পেইন কর্তৃক ‘ফরিদপুর ইসলামি ব্যাঙ্ক কমিউনিটি হাসপাতালে গত ২৩ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে সম্পন্ন করা হয়। একই ক্যাম্পে অঙ্কনসহ মোট ১০ জন শিশুর অস্ত্রোপচারে পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ছিলো SP Group। 

অঙ্কনের মুখে অনিন্দ্য সুন্দর হাসি ফোটানো সম্ভব হয়েছে, আর শিশুর মুখের হাসিই তার বাবা-মায়ের হাসি। চিকিৎসক, পৃষ্ঠপোষকগণ এবং ক্যাম্পেইনের স্বেচ্ছাসেবী টীমের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় দেশজুড়ে এমন হাজারো অঙ্কন এবং তাদের পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি আমরা।

#CampaignThousandSmiles

#GiveBangladesh

#দেশেরপ্রতিটিপ্রান্তে 

First Workshop of Campaign SurjoKonna: Implementing Workshops for Chattogram-based underprivileged communities

গত কয়েক দশকে, পোষাক শিল্প দেশে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা তৈরি করেছে লাখ লাখ মানুষের৷ এর একটি বড় অংশই নারী। 

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্যমতে দেশের পোশাক শিল্পে কর্মরত কর্মীদের মাঝে প্রায় ৬০-৬২ শতাংশই নারী। কর্মক্ষেত্রে এই নারীরা অধিকাংশ সময়ই পায় না পর্যাপ্ত স্যানিটারি সুবিধা, মুখোমুখি হয় নানা মাসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যার। 

এই সমস্যাকে সামনে রেখেই ১৮-২৫ বছর বয়সী নারী গার্মেন্ট কর্মীদের মাসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রজেক্ট কন্যার ক্যাম্পেইন ‘সূর্যকন্যা’ কাজ শুরু করে। গত ১৮ মে ক্লিফটন কোম্পানির কালুরঘাট গার্মেন্ট শাখায় ক্যাম্পেইনটি সফলভাবে ৬০ জন গার্মেন্ট কর্মীর ওয়ার্কশপ নেয়। ওয়ার্কশপে মাসিককালীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সঠিক মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। 

ওয়ার্কশপ শেষে এই ৬০ জন নারী গার্মেন্টস কর্মীদের সেফপ্যাডের সহযোগীতায় রিইউজেবল এবং পরিবেশবান্ধব প্যাড প্রদান করা হয়।

#ProjectKonna

#NoShamePeriod

#KonnaforSafePeriod

#BreakTheTaboo

#GiveBangladesh

#দেশেরপ্রতিটিপ্রান্তে

বাংলাদেশে মাসিক স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনা: প্রয়োজন আরো বিস্তৃত এবং অন্তর্ভুক্তিমুলক কার্যাবলী

এই পোস্টটি ইংরেজিতে পড়তে চাইলে এই লিংকে ক্লিক করুন

বাংলাদেশের ন্যাশনাল হাইজিন সার্ভে ২০১৮ তে দেখা যায় যে দেশের মাত্র শতাংশ স্কুলে মাসিক স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনা  নিয়ে শিক্ষা প্রদান করা হয়।  বাকি স্কুলগুলোয় শিক্ষকরা এই বিষয়ে কথা বলা অনেকটা ইচ্ছাকৃতভাবেই এড়িয়ে যান। গার্হস্থ্য অর্থনীতি বইয়ের এই সম্পর্কিত চ্যাপ্টারটি নিয়ে বলা হয়, “বাড়ি থেকে পড়ে এসো!” একই সার্ভেতে আরো দেখা যায় যে মাত্র ৫৩ শতাংশ স্কুলছাত্রী মাসিকের ব্যাপারে অবগত। অর্থাৎ প্রায় ৪৭ শতাংশ শিক্ষার্থী নিজের প্রথম মাসিক হওয়ার আগ অব্দি মাসিক নিয়ে জানেই না। আর যারা জানে—তারাও সঠিক তথ্য জানে না। যতটা সত্যি, তার সাথে যুক্ত থাকে ততটা, বা তার চেয়ে বেশি কুসংস্কার।  

কিশোরীদের বাইরে গেলেও মাসিক স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনা নিয়ে, হোক তা শহর কিংবা কোনো প্রান্তিক অঞ্চল, জরিপের ফলাফল কখনই সুখকর তথ্য প্রদান করেনি। ২০০৮ সালে ওয়াটারএইড বাংলাদেশের একটি বেসলাইন স্টাডিতে জানা যায়, ঢাকার বস্তিতে থাকা ৯৫ শতাংশ নারী মাসিকের সময় কাপড় ব্যবহার করেন। তারও বছর দশেক পরে, ২০১৮ সালে মাসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে প্রথম আলোর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের প্রায় সাড়ে ৪ কোটি কিশোরী ও নারী মাসিকের সময় এখনো কাপড় ব্যবহার করে। তাদের অনেকে একই কাপড় বারবার ব্যবহার করে যার অধিকাংশই অপরিষ্কার কাপড়। কিশোরীদের মাত্র ১০ শতাংশ এবং বয়স্ক নারীদের ২৫ শতাংশ মাসিকের সময় স্যানিটারি ন্যাপকিন বা স্বাস্থ্যসম্মত প্যাড ব্যবহার করে। এর পেছনে বিভিন্ন সময় প্যাডের উচ্চ মূল্য, প্যাডের অনুপলব্ধতা, সচেতনতার অভাবসহ বিভিন্ন কারণ চিহ্নিত করা হলেও এই নিয়ে কাজ হয়েছে নামেমাত্র। 

শহরের স্কুল কিংবা বস্তিতেই যখন মাসিকস্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা আর ব্যবহারযোগ্য ওয়াশরুমের অভাব, তখন দেশের পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীগুলোর নারীদের কেমন অবস্থা তা বলার বাকী রাখে না৷ দিনে ৮ ঘন্টা কাজ করা নারী চা-শ্রমিকরা কিংবা নৌকায় বসবাস করা বেদে সম্প্রদায়, যাদের নেই কোনো যথাযথ পানি, স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যবিধি (ওয়াশ) ফ্যাসিলিটিজ তারাই কীভাবে মাসিকের সময় কোনো স্বাস্থ্যবিধি নিয়ম মানতে পারে? 

মাসিক এখনও বাংলাদেশসহ অনেক দেশেই একটি সামাজিক ট্যাবু হয়েই রয়েছে। ফলে নারীদের সম্মুখীন হতে হচ্ছে জরায়ুমুখের ক্যান্সার, সংক্রমণ, যৌনাঙ্গে ঘা, চুলকানি, অস্বাভাবিক সাদা স্রাব প্রভৃতি শারীরিক সমস্যার। দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের ২০২৩ সালের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রতি বছর দেশে প্রায় ১২ হাজারের বেশি নারী জরায়ুমুখ ক্যানসারে আক্রান্ত হন। মাসিক স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনার উন্নতি এবং সঠিক শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমেই কেবল আমরা এই ট্যাবু ভেঙ্গে এগিয়ে যেতে পারি।

তথ্যসূত্র :

১.https://bbs.portal.gov.bd/sites/default/files/files/bbs.portal.gov.bd/page/b343a8b4_956b_45ca_872f_4cf9b2f1a6e0/2021-02-18-12-34-38806de91fa4ca8d9e70db96ecff4427.pdf

২.https://fr.ircwash.org/sites/default/files/Ahmed-2008-Menstrual.pdf

৩.https://shorturl.at/joqxV 

৪.https://www.tandfonline.com/doi/full/10.1080/13691058.2019.1580768 

৫.https://shorturl.at/dxzWY

পোস্টটি লিখেছেন ফারিয়া রহমান, তিনি আনচার্টেড রেড ওয়াটার্স প্রজেক্টের একজন টিম মেম্বার। 

Menstrual Hygiene Management (MHM) in Bangladesh: A Need for Comprehensive and Inclusive Actions

To read this post in Bangla, click here 

The Bangladesh National Hygiene Survey 2018 found that only six percent of schools in the country provide education on Menstrual Health Management (MHM). In the remaining schools, teachers deliberately avoid discussing the topic, often advising students- “Read this at home!”. The survey also reported that only fifty-three percent of schoolgirls are aware of menstruation. This means that about forty-seven percent of students do not know about menstruation until their first period and those who do often receive inaccurate information, perpetuating superstitions rather than facts.

Survey results consistently indicate poor Menstrual Health Management (MHM) among adolescents, both in urban and rural areas. A baseline study by WaterAid Bangladesh in 2008 found that ninety-five percent of women in Dhaka’s slums used cloth during menstruation. Ten years later, on Menstrual Hygiene Day 2018, a Prothom Alo report indicated that approximately forty-five million girls and women in the country still use clothes during menstruation. Many reuse the same cloth multiple times, often without proper sanitation. Only ten percent of teenage girls and twenty-five percent of older women use sanitary napkins or sanitary pads. Factors such as the high cost of pads, their unavailability, and lack of awareness contribute to this issue, yet little has been done to address it.

When there is a lack of awareness about menstrual health and inadequate washroom facilities in city schools or slums, the situation for women in more marginalized communities is even more dire. For instance, how can women tea workers who work eight hours a day or the Bede community living on boats, who lack proper Water, Sanitation and Hygiene (WASH) facilities, follow any hygiene rules during menstruation?

Menstruation remains a social taboo in many countries, including Bangladesh. Consequently, women face health issues such as cervical cancer, infections, genital sores, itching, and abnormal white discharge. According to a 2023 report by the Daily Star, about twelve thousand women are diagnosed with cervical cancer annually in the country. Improving Menstrual Health Management (MHM) and providing proper education are essential steps towards breaking this taboo and ensuring better health outcomes for women.

Sources:

1.https://bbs.portal.gov.bd/sites/default/files/files/bbs.portal.gov.bd/page/b343a8b4_956b_45ca_872f_4cf9b2f1a6e0/2021-02-18-12-34-38806de91fa4ca8d9e70db96ecff4427.pdf

2.https://fr.ircwash.org/sites/default/files/Ahmed-2008-Menstrual.pdf

3.https://shorturl.at/joqxV

4.https://www.tandfonline.com/doi/full/10.1080/13691058.2019.1580768

5.https://shorturl.at/dxzWY

This post is written by Faria Rahman, a team member of Uncharted Red Waters project. 

6th Surgery Camp Executed Successfully: 10 Children Cured of Clef Leap and Palate in Sylhet

ঠোঁট কাটা ও তালু কাটা মানুষের জন্মগত শারীরিক ত্রুটি গুলোর মধ্যে একটি। বিশ্বে গড়ে ৭০০ জন শিশুর মধ্যে ১ জন শিশু এ সমস্যা নিয়ে জন্মায়। 

ঠোঁট কাটা ও তালু কাটা শিশুরা বড় হবার সাথে সাথে সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করালে শিশুর ভবিষ্যত জীবনে নানান শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে, যার মধ্যে খাদ্যগ্রহণে জটিলতা, ঘন ঘন শ্বাসনালির প্রদাহ, অপুষ্টিজনিত সমস্যা, শ্রবণক্ষমতা হ্রাস, দাতের সমস্যাসহ মানসিক ও শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ার প্রবণতা অন্যতম। 

সঠিক সময়ে আধুনিক অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে শিশুর ঠোঁট কাটা ও তালু কাটা ত্রুটি ঠিক করা যায়। গত ৩ মে ফ্রিডম জেনারেল হাসপাতাল, সিলেটে ‘থাউজেন্ড স্মাইলস’ ক্যাম্পেইনের ৬ষ্ঠ সার্জারি ক্যাম্প সম্পন্ন হয়।

P.N. Composite Ltd এর পৃষ্ঠপোষকতায় এই শিশুদের মুখে হাসি ফোটানো সম্ভব হয়েছে। শিশুর সুস্থ স্বাভাবিক বিকাশ ও সুন্দর সামাজিকীকরণে এই ক্যাম্পেইন শিশুদের এবং তাদের পরিবারের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

#CampaignThousandSmiles

#GiveBangladesh

#দেশেরপ্রতিটিপ্রান্তে